‘মেয়ের কোনও পদবিই চাই না… এমন আইনের নিয়ম মানিনা… সিঙ্গল পেরেন্টদের কষ্টটা কেউ বোঝে না..’, মেয়ের পদবি নিয়ে নাজেহাল স্বরলিপি

স্বরলিপি চ্যাটার্জি

ব্যক্তিগত জীবনে অনেকটা লড়াই পেরিয়ে আজ অভিনেত্রী একজন ক্যাফের মালিক। পাশাপাশি দুর্দান্ত সঞ্চালিকাও বটে। তবে এক অদ্ভুত সমস্যায় পড়েছেন স্বরলিপি চ্যাটার্জি। যদিও অভিনেত্রী নিজের নামের সঙ্গে পদবি ব্যবহার করেন না। অভিনেতা সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মেয়ে বড় হচ্ছে স্বরলিপির কাছেই। কিন্তু স্বরলিপি চান না, তাঁর মেয়ে সহচরী বাবা কিংবা মা কারও পদবি ব্যবহার করুক। কলকাতা কর্পোরেশনের কাছে মেয়ের পদবী পরিবর্তনের আবেদন জানালেও সাড়া মিলছে না।

সম্প্রতি TV9 বাংলাকে স্বরলিপি জানালেন, ‘আমি মেয়ের ছয় মাস বয়সে বার্থ সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিলাম। তখন বলা হয়েছিল, ডিভোর্স না হলে এটা করা যাবে না। আমার ডিভোর্স হওয়ার পর আবার যাই। অনেকের সাহায্য নিয়ে ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করি। তিনি একজন ইন্সপেকটরের সঙ্গে আলোচনা করতে বলেন। এর আগে যখন কর্পোরেশনে যাই, আমাকে কিছুজন ভীষণ অপমান করেন।

তারা বলেন, বর খেদিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে! বর এসে তারপর ঝামেলা করবে। কে জানে আদৌ জিভোর্স হয়েছে কিনা’। এসব বলার পর জানানো হয়, এই আইন নেই। যাই হোক, তারপর ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে কথা বলার পর, ওঁরা আমার পদবিটাকে মেয়ের পদবি করে দিচ্ছিল। কিন্তু আমি বলেছি, মেয়ের কোনও পদবিই চাই না। সেটা আমাকে এখনও করে দেওয়া হয়নি।’

স্বরলিপির কথায়, ‘সিঙ্গল পেরেন্টদের এটা খুবই কষ্টের জায়গা। আমি নিজের রোজগারে মেয়েকে বড় করছি। কিন্তু তার পদবি বাবার পদবি হয়ে আছে। এখন মেয়ের ন’ বছর বয়স হয়েছে। যেহেতু মেয়ের জন্মের সময়ে আমি বিবাহিত ছিলাম, তাই নাকি এটা সম্ভব নয়। আমি বিবাহিত না হলে, এটা নাকি সম্ভব হত।’

স্বরলিপি চ্যাটার্জি