‘দুমুঠো খাওয়ার জোগাতে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য…’, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্টের লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন মীরাক্কেলের পলাশ অধিকারী

 পলাশ অধিকারী

মীর পরিচালিত জনপ্রিয় কমেডিয়ান শো আজও মানুষের মুখে হাসি ফোটায়। আর সেখানেই কোলে বসা পুতুলকে কথা বলিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন কৌতুক অভিনেতা পলাশ অধিকারী। এপার বাংলা থেকে অপার বাংলা সব জায়গাতেই তার পুতুলের কান্ড কারখানা ছিল সমান জনপ্রিয়। মাঝে কিছু সময়ের জন্য তাকে জি-বাংলার জনপ্রিয় মেগা চিরদিনই তুমি যে আমারে অটোচালকের ভুমিকাতেও দেখেছে দর্শক।

তবে পলাশের ওই হাসিমুখটার পিছনে যে কতখানি কষ্টকর লড়াইের গল্প আছে তা হয়ত অনেকেই জানেন না। প্রায় ২৪ বছর ধরে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন মায়াস্বর শিল্প অর্থাৎ ঠোঁট না নাড়িয়ে কথা বলার এক বিশেষ শিল্পকলায়।

পলাশ বিশ্বাস করেন, “এই পুতুলগুলোই আমাকে খাওয়াচ্ছে” – এই শিল্পই তাকে বাচিয়ে রেখেছে। জানান জীবনের কঠিন লড়াইের কথা, ২০০৫ সালে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও শেষমেশ খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল পলাশকে।

মীরাক্কেল চলাকালীন নানা পুতুল নিয়ে বিভিন্ন চরিত্রে হাজির হয়েছেন পলাশ। তবে তার পরিচিতির পথও মোটেই সহজ ছিলনা। মীরাক্কেল শেষ হওয়ার পর সময়ের স্রোতে কিছু চরিত্র হারিয়ে গেলেও থেমে যায়নি পলাশের শিল্পসত্তা।

মীরাক্কেল শেষে বিলের দায়েরি নামক ছবিতে কাজ করেছেন পলাশ। এমনকি কমল মিত্র =বা ছন=বি বিশ্বাসের মিমিক্রি করেও দর্শকের প্রশংসা কুরিয়েছেন পলাশ। বর্তমানে তাকে একাধিক মাচা অনুষ্ঠানেও দেখতে পাওয়া যায়।