
‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর অন্যতম খলনায়িকা ‘মীরা’র যাত্রা আচমকা শেষ হতেই এবার উধাও গল্পের ভিলেন মেঘরাজ। গত এক মাস ধরে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে না এই দাপুটে খলনায়ককে। যিনি আর্য-অপর্নাকে প্রায় প্রতি দিন নাকের জলে চোখের জলে করিয়ে ছেড়েছেন, সেই ‘মেঘরাজ’ ওরফে সুতীর্থ সাহা হঠাৎই গায়েব!
বর্তমানে গল্প আর্য-অপর্ণা, কিঙ্কর এবং মূল খলনায়িকা রোহিনীকে নিয়ে। তা হলে সুতীর্থও কি বাদ পড়লেন? আনন্দবাজারকে সুতীর্থ বলেছেন, ‘গত এক মাস ধরে ট্র্যাকে নেই। চ্যানেল বা প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে আমাকে লিখিত ভাবে কিছু জানানোও হয়নি। তাই বলতে পারব না।’
সুতীর্থর মতে, গল্প অনুযায়ী মাঝেমধ্যেই চরিত্রের প্রাধান্য কমে-বাড়ে। তখন এক বা একাধিক চেনা চরিত্রকে ধারাবাহিকে কম দেখা যায়। অনেক সময় দেখাও যায় না। চিত্রনাট্যে বদল ঘটলে তখন আবার তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। ‘মেঘরাজ’-এর ক্ষেত্রেও সেটা হতে পারে।
এ দিকে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে গুঞ্জন, ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ নাকি শেষ হতে চলেছে। মাত্র এক বছরের মাথায় কি বন্ধ হয়ে যাবে আর্য-অপর্নার গল্প? তাই কি একে একে জনপ্রিয় চরিত্রেরা সরে যাচ্ছে? যদিও এর উত্তরও জানা নেই সুতীর্থের।
সুতীর্থ বলেছেন, ‘আগেও কিন্তু অনেক কম সময়ে একাধিক ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই ধারা নতুন নয়। এখন ‘গেল গেল’ রব উঠছে বেশি। আলোচনাও হচ্ছে বেশি।’
সুতীর্থর মতে, ‘সবটাই নির্ভর করে দৃষ্টিভঙ্গির উপরে। আমি যে ভাবে দেখব, সে ভাবেই সব কিছু দেখাবে। ইদানীং ধারাবাহিক দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, টলিউডে ঝগড়া হচ্ছে বলে সবাই সমালোচনায় মুখর। আমার মতে, কিছু ঝগড়া ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভাল।’

অভিনেতা মনে করেন, ঝগড়া আপনজনেদের মধ্যেই হয়। আর মান-অভিমান সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। দেখবেন, এত ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমানের পরে ইন্ডাস্ট্রি আরও সংঘবদ্ধ হবে।
