
বিগত বেশ কয়েক দিন ধরেই ‘পরশুরাম’ ধারাবাহিক থেকে লাট্টু চরিত্রটি থেকে সরে গিয়েছে খুদে শিল্পী অভিনব বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই অভিনবর পরিবর্তে ‘লাট্টু’র চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে শিশু অভিনেতা সার্থক মল্লিককে। কিন্তু অভিনব কেন ছাড়ল এই ধারাবাহিক? প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে সমস্যা? নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ?
এদিন সমাজমাধ্যমে অভিনব বিশ্বাসের মা নবমিতা একটি পোস্ট করেন। সেখানেই তিনি কারও নাম না করে লেখেন, ‘আজ বিভিন্ন জায়গায় লেখা দেখলাম যে, প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে সমস্যা হয়েছে আমাদের। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা এমনিতেই সবার জানা। তারই মধ্যে Blues Productions এর মতো একটি অত্যন্ত ভালো প্রযোজনা সংস্থার সম্পর্কে এমন গুজব ছড়াবেন না দয়া করে। বাধ্য হয়েই আজ পরিষ্কার করে লিখছি যে প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখনও খুবই ভালো এবং এই এগারো মাসে কখনও কোনো ঝামেলাই হয়নি।
বরং আমাদের অভিযোগের তীর যার দিকে, তার ঝামেলা করার বিষাক্ত স্বভাব সম্পর্কে ইন্ডাস্ট্রির মানুষ তো বটেই, প্রত্যেকটি ইঁট, কাঠ, পাথর, দেওয়ালও ওয়াকিবহাল। তাকে বারবার বলেও শোধরানো যায়নি। একভাবে বন্ধ হলে আরেকভাবে আমাদের সন্তানকে জ্বালিয়ে গিয়েছেন ওই মহিলা।’
পোস্টে নবমিতা আরও লেখেন, ‘খলের ছলের অভাব হয় না। ভদ্রমহিলা ভেবেছিলেন এভাবে মাসের পর মাস ধরে মনোবল ভাঙতে পারলেই অভিনব একদিন হারিয়ে যাবে। কিন্তু না, দেওয়ালে পিঠ যার ঠেকে যায়, তার আর হারানোর কিছু থাকে না। সবাই বলছেন, পরশুরামের সাফল্যের ভাগ কিছুটা হলেও অভিনব’র। সেই শিশুটি আজ SJPA বা প্রজেক্টের একশত এপিসোড, কোনোটিতেই ছিল না। এতেও আমাদের কোনো ক্ষতি নেই।’
‘অভিনব হারিয়ে যাবে না। ওকে আমরা হারিয়ে যেতে দেব না। ওর আগুন নিভে যেতে দেব না বলেই ওই বিষাক্ত মহিলার সামনে দাঁড়িয়ে রোজ অপদস্থ হওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে ওকে সরিয়ে আনলাম।’ শেষে নবমিতা লেখেন, ‘পরশুরাম সিরিয়াল আমাদের মনের এবং দুই বাংলার মানুষের মনের খুব কাছাকাছি একটা প্রজেক্ট। প্রযোজকের ড্রিম প্রজেক্ট এটা। আমরা যতদিন ছিলাম, সাধ্যমতো নিজেদের বেস্ট দিয়েছি সেখানে। আশা করব নতুন লাট্টুও তাই করবে।’
