‘পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা অবস্থায়… ওরা আমায় টাকা দেয়নি… বাচ্চা পেটে আমি অভাব দেখেছি..’, লীনার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ কনীনিকার

কনীনিকা

একের পর এক অভিযোগ উঠে আসছে প্রযোজক লীনা গাঙ্গুলীর দিকে। গোটা টলিউড ইন্ডাস্ট্রি তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এবার নিজের সাথে ঘটে যাওয়া এক খারাপ অভিজ্ঞতার কথা সামনে আনলেন অভিনেত্রী কনীনিকা ব্যানার্জী।

সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে নাম না করে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। আট বছর আগে তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এক অমানবিক আচরণের কথা প্রকাশ্যে এনে বিনোদন জগতের অন্ধকার দিকটি ফের সামনে নিয়ে এলেন অভিনেত্রী।

কনীনিকা তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন, ‘৮ বছর আগে কিয়া তখন পেটে, তিন মাসের পেমেন্ট ওরা আমায় দেয়নি, স্পেশাল কমিটি বসিয়ে বলা হয়েছিল আমাকে এক টাকাও দেবে না। তিন মাস কেটে যাওয়ার পরেও ওরা আমাকে আমার টাকা দেয়নি। আমাকে কেস করতে বলা হয়েছিল, আমি কেস করতে পারিনি কারণ আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা ছিলাম। শারীরিক সমস্যা বাড়ছিল, অভাব কাকে বলে বাচ্চা পেটে আমি দেখেছি। সব ভুলে গিয়েছিলাম, কিন্তু এটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। এটা মেনে নিতে পারছি না।’

ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, শৈবাল-লীনার প্রযোজনায় ‘অন্দরমহল’ ধারাবাহিক করার সময় পারিশ্রমিক নিয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রযোজনা সংস্থার তীব্র বিরোধিতা হয়। অভিনেত্রীর দাবি ছিল প্রযোজনা সংস্থার থেকে ১১ লক্ষ টাকা পান তিনি। লীনার পাল্টা দাবি ছিল কনীনিকা যা কাজ করেছে, তার চাইতে বেশিই টাকা পেয়েছেন। উল্টে, প্রযোজনা সংস্থা ৭ লক্ষ টাকা কনীনিকার থেকে পায়। এর পর আর্টিস্টস ফোরামেও এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তাঁরা আইনি লড়াইয়ে যেতে বলেন কনীনিকাকে। তবে অভিনেত্রী সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায়, সেটা সম্ভব হয়নি।

কনীনিকা জানান, ‘অতীতের ঘটনা সবাই জানে, নতুন করে সেটা বলার কিছু নেই। আমি শুধু রাহুলের মৃত্য়ুর ন্যায় বিচার চাই। রাতে ঘুমোতে পারছি না। রাহুল আমার ভাইয়ের মতো ছিল।’ সন্তানের সুরক্ষার কথা ভেবেই তখন আইনি লড়াইয়ের থেকে শরীর ও মনের সুস্থতাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন চুপ থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে অভিনেত্রীর।

কনীনিকা