‘৬ টা বছর লেগে গেল এটা বলতে… আমার কাছে এটা বিরাট বড় ধাক্কা…’, মুখ খুললেন অভিনেত্রী নিকিতা দাস

নিকিতা দাস

টেলিভিশন জগতের অত্যন্ত পরিচিত মুখ নিকিতা দাস। পর্দায় হাসিখুশি দেখালেও, গত কয়েকদিন ধরে নেটপাড়ার চর্চায় বারবার উঠে এসেছে তাঁর নাম। অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের এক চরম সত্য সামনে আসতেই নেটিজেনদের চোখে জল। সায়ক চক্রবর্তীর দাদা সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে সুস্মিতা রায়ের ঝগড়া ও বিবাদের মাঝেই বারবার টেনে আনা হচ্ছিল নিকিতা দাসের নাম। এমনকি সব্যসাচীর সঙ্গে নিকিতার সম্পর্ক নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য ও কুৎসা করতেও পিছপা হননি অনেকে।

এই বিতর্কের মাঝেই হঠাৎ নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন নিকিতা। অভিনেত্রীর দুচোখ বেয়ে ঝরছে জল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না তিনি। শুধুমাত্র এই বিতর্ক নয়, বরং উঠে এল তাঁর জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। নিজের জীবনের সেই ‘অন্ধকার’ দিনটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২০ সালে। দিনটি ছিল ২২শে মার্চ। গোটা বিশ্ব যখন অতিমারির আতঙ্কে কাঁপছে, ঠিক সেই দিনই নিজের বাবাকে হারান অভিনেত্রী। মর্মান্তিক বিষয় হলো, সেই দিনটি ছিল নিকিতার নিজের জন্মদিন। সম্পূর্ণ সুস্থ একজন মানুষ হঠাৎই নিজের জন্মদিনের দিন এভাবে চলে যাবেন, তা আজও মেনে নিতে পারেননি তিনি।

নিকিতা জানান, ২০২০ সালের সেই অভিশপ্ত ২২শে মার্চের পর থেকে তিনি আর কোনোদিন নিজের জন্মদিন পালন করেননি। জন্মদিনের আনন্দ তাঁর কাছে চিরদিনের মতো ফিকে হয়ে গিয়েছে। বাবার মৃত্যুশোকে কাতর অভিনেত্রী ভিডিওতে বলেন, বাবার হঠাৎ চলে যাওয়াটা তাঁর কাছে এক বিরাট ধাক্কা ছিল। সায়ক-সব্যসাচীর বিতর্কের মাঝে ব্যক্তিগত শোকের এই কাহিনী শেয়ার করে নিকিতা বুঝিয়ে দিলেন, পর্দার গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কত শত না বলা দীর্ঘশ্বাস।