
ছেলের বয়স সবে একবছরে এরমধ্যেই স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পথে অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত। এবার বিচ্ছেদের পরেই জীবনে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী। মানসিক অশান্তির জেরেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন মানসী। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিস্ফোরক মন্তব্য জানালেন অভিনেত্রী নিজেই।
বিনোদনের নামে চারপাশে যা চলছে তা অত্যন্ত ‘কুরুচিকর’, আর তাই নিজেকে এই ভ্লগিং জগত থেকে চিরতরে সরিয়ে নিচ্ছেন মানসী। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে মানসীর কোনওকালেই খুব একটা উৎসাহ ছিল না। তাও মাঝেমধ্যে ব্লগিং বা শ্যুটিংয়ের পেছনের গল্প পোস্ট করতেন ভক্তদের জন্য। কিন্তু অভিনেত্রী মনে করেন এই অভ্যাসটি তাঁর জীবনের ‘মানসিক অশান্তি’র কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। চারপাশের কিছু ব্লগারের কুরুচিকর কন্টেন্ট দেখে তিনি এতটাই বিরক্ত যে, এই ধারাটিকে অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার বলে মনে করেন মানসী।
মানসী সেনগুপ্ত এদিন সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে লেখেন, ‘প্রথম থেকেই আমার সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে আনিহা ছিল | তারপর ব্লগিং, বিটিএস মাঝে মাঝে post করতাম | কিন্তু আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম দিনে দিনে এটা একটা মানসিক অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে| তাই ঠিক করেছি আমি আজ থেকে কোনোরকম ব্লগ্গিং (vlog) করবো না।’ তিনি আরও লেখেন, ‘চারিপাশে কিছু কিছু ব্লগার রা যা শুরু করেছে, তা খুব কুরুচিকর and বন্ধ করা দরকার | একজন ACTOR হিসেবে যতটুকু post দরকার প্রতিদিন তা আমার টীম করবে। নতুন কাজ নিয়ে ফিরেছি সোশ্যাল মিডিয়া তে | “এবার দেখা হোক শুধু কাজে।’
মানসীর এই সাহসী এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। অনেকেই মনে করছেন, ভ্লগিংয়ের নামে ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা নষ্ট করার যে হিড়িক পড়েছে, মানসীর এই প্রতিবাদ তার বিরুদ্ধে এক জোরালো চপেটাঘাত।
এর আগে মানসী নিজেই জানিয়েছিলেন, অনেকদিন ধরেই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কটা আর টিকছিলনা, বাহ্যিক কোনও কারণ নেই, নিজেরা নিজেদের মত ভালো থাকতেই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত। মানসীর কথায়, “আমরা এখন থেকে দুই সন্তানের জন্য শুধু বাবা-মা হয়ে থাকব। শুধু দু’জনের দাম্পত্যটা আর নেই।”
