প্রবাদে আছে, ‘নারীর জীবন এত সহজ নয়’। বিয়ের পর একটা মেয়ের গোটা জীবনটা বদলে যায়। ভালোবাসার মানুষের সাথে থাকার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তাদের। কখনো পরিবার আবার কখনো বন্ধু। মেয়ে মানেই কি শুধু ত্যাগ? মনের মানুষের চেয়ে কি বন্ধুত্ব সেরা? কাঠগড়ায় সমাজ।
গায়িকা দেবলীনা নন্দীর আত্মহত্যা যেন আরও একবার মেয়েদের জীবন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে। মা, ক্যারিয়ার এবং স্বামীর মধ্যে অপশন বেছে নেওয়ার জন্য মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার চলত বিয়ের পর থেকে। লড়াই করতে করতে যখন ক্লান্ত হয়ে ওঠেন আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেন দেবলীনা। ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পর প্রথম স্বামীকে নয়, তার মেসেজ যায় বন্ধু সায়ক চক্রবর্তীর কাছে। কারণ গায়িকা জানতেন স্বামীকে মেসেজ করলে কোনও উত্তর পাওয়া যাবে না কিন্তু বন্ধুকে করলে তার উত্তর মিলবে।
সায়ক জানতে পেরে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় দেবলীনার পাশে। আজ দেবলীনার নতুন জীবন ফিরে পাওয়ার পিছনে বন্ধু সায়কের অবদান কম নয়। কিন্তু একবারও খোঁজ নিলেন না স্বামী।
এদিকে বন্ধুকে বাঁচার আশার আলো দেখিয়ে পাশে দেবদূতের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছেন সায়ক। সায়কের কৃতিত্বে অভিনেতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন গোটা সোশ্যাল মিডিয়া। ‘সায়কের মতো বন্ধু বিরল’, দাবি নেটিজেনদের।
প্রশ্ন উঠছে মেয়েদের জীবনে আদর্শ কে স্বামী নাকি একজন বন্ধু? তাহলে সমাজে আজও বন্ধুত্বই কি সবার উপরে?

