‘জোর করে টিকে থাকার চেয়ে…সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা চলে আসলে…’, বিয়ের ৮ বছর পর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খুললেন তনুশ্রী

তনুশ্রী ভট্টাচার্য

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্য। অভিনেত্রীর আরও একটি পরিচয় হল তিনি শ্বেতা ভট্টাচার্যের দিদি। ২০১৮ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েন তনুশ্রী- শমীক। তনুশ্রীর স্বামী শমীক বোসও টলিপাড়ায় বেশ পরিচিত। শমীক পেশায় পরিচালক। তাদের একটি কন্যা সন্তানও আছে। মেয়ের বয়স এখন সদ্য চার বছর। এরমধ্যেই অভিনেত্রীর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জর জল্পনা। আচমকা দাম্পত্য জীবন নিয়ে মুখ খুলতেই সরগরম নেটপাড়া।

ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্কের টানাপোড়েন সম্পর্কে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি কোনোভাবেই ‘তিক্ত ভালোবাসা’-য় বিশ্বাসী নন। তাঁর মতে, কোনো সম্পর্কের মধ্যে যদি তিক্ততা চলে আসে, তবে সেখানে জোর করে টিকে থাকার চেয়ে বেরিয়ে এসে স্বাধীনভাবে বাঁচা অনেক বেশি ভালো। এতে কেবল নিজের মানসিক শান্তি বজায় থাকে না, বরং সামনের মানুষটিও ভালো থাকে। তনুশ্রী মনে করেন, ভালোবাসা যদি আগলে রাখার মতো না হয়, তবে সেই সম্পর্কে থেকে যাওয়া অর্থহীন।

তবে কি অভিনেত্রীর দাম্পত্যে ফাটল ধরল? নাকি স্বামীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে তিক্ততা এসেছে। যদিও স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি অভিনেত্রী। বর্তমানে অভিনয় জীবনের ব্যস্ততা এবং ব্যক্তিগত জীবন সামলানো তনুশ্রীর জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তনুশ্রী ভট্টাচার্য

অভিনেত্রী জানান, তাঁর মা এবং বাপের বাড়ির সদস্যদের সাহায্য ছাড়া শুটিং ও মাতৃত্ব একসাথে সামলানো তাঁর পক্ষে প্রায় অসম্ভব ছিল। বর্তমানে তাঁর মেয়েও শুটিং ফ্লোরে যাতায়াত করে এবং মেকআপ রুমের সবার সঙ্গে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। পরিবারের এই অটুট সমর্থনই তাঁকে নিশ্চিন্তে কাজ করার সাহস জোগায়।