আচমকাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ মানুষ থেকে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের টার্গেট অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী। নেপথ্যে গো-মাংস কান্ড। ইতিমধ্যে সেই ঘটনা জেনে গিয়েছেন অনেকেই। পার্ক স্ট্রিটের এক রেস্তোরাঁ ‘অলিপাব’ খেতে গিয়ে শুরু হয় ওয়েটারের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সায়ক।
অভিনেতাকে না জানিয়ে মটনের বদলে গো-মাংস দেওয়া হয়। এই নিয়ে অভিযোগ আনেন সায়ক। প্রথমে বুঝতে না পারলে পরে বুঝে যান সায়ক। সকলের সামনে ওয়েটারকে ডেকে তার উপর চিৎকার করতে দেখা যায় সায়ককে।
সায়ক ওয়েটারকে বলেন, ”আমি একজন ব্রাহ্মণ। আপনি আমাকে না বলেই কী করে গরুর মাংস খাইয়ে দিলেন? গোমাতাকে খাইয়ে দিলেন? আপনার ধর্ম কি? আমি আপনাকে না বলে শুয়োরের মাংস খাইয়ে দিলে আপনি খাবেন?” আর সবটাই উঠে আসে সায়কে তৈরি করা ব্লগে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সায়ক চক্রবর্তী খাবার সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক করতেই তাকে নিয়েই শুরু হয় ট্রোল। একাধিক নেটিজেনদের দাবি সায়কের টাকা জন্য শুধুমাত্র একজন অসহায় ওয়েটারকে হেনস্তা করছে নিজের ব্লগের ভিউজ যাতে বাড়ে। আবার কেউ কেউ প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, সায়ক ব্রাহ্মণ হয়ে জেনে শুনে মুসলিম পাবে কেন গিয়েছিলেন।
শুধু সাধারণ মানুষ নয়, ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সায়কের এই কান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সকলের দাবি ইচ্ছাকৃত ভাবে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করছেন অভিনেতা।
এসবের মাঝেই আচমকাই আরেক অভিনেতা দেবনাথ চ্যাটার্জী পোস্ট ঘিরে শোরগোল। দেবনাথ চ্যাটার্জী ফেসবুকে পোস্ট করে লেখেন, “আমি একজন so called বিখ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটর (ভুলভাল/বাজে)কে চিনি, যে অনলাইন এ খাবার আনিয়ে টাকা না দেওয়ার ফন্দি হিসেবে, নিজের মাথার চুল ছিঁড়ে, খাবারে মিশিয়ে, complain করে এবং free তে আরো এক packet বিরিয়ানি পায়, সঙ্গে আগের টাকাটাও। চূড়ান্ত নোংরা মানসিকতার পরিচয়..তাকে আবার অভিনেতা বানিয়ে cast ও করা হয়..”।

