দেবলীনা নন্দীর আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে এই মুহুর্তে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। এই মুহুর্তে হাসপাতালে ভর্তি দেবলীনা। স্বামী প্রবাহ নয় এই দুঃসময়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বন্ধু সায়ক, দিদি শমিষ্ঠা ও গায়িকার মা।
সম্প্রতি দেবলীনার প্রোফাইল থেকে ফেসবুক লাইভে এসে দেবলীনার শ্বশুর বাড়ি ও স্বামী প্রবাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান দিদি শমিষ্ঠা ও গায়িকার মা। দেবলীনার আত্মহত্যার ঘটনাকে অনেকেই ‘নাটক’ বলছেন তা নিয়ে এবার সরব হলেন গায়িকার দিদি।
লাইভে এসে শমিষ্ঠা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে আমার বোনের সম্পর্কে যে নেতিবাচক কমেন্ট করা হচ্ছে তাতে ওর মানসিক ক্ষতি হচ্ছে। কোন পরিস্থিতিতে গেলে একটা মেয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়। অনেকেই বলেছেন এটা নাটক, জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা। প্রথমেই বলি নাম ফাটানোর জন্য আত্মহত্যার মত একটা বিষয় নিয়ে অভিনয় করার প্রয়োজন নেই ওর। একটা মানুষ যখন অভিনয় করে তখন ৪-৫ টা ওষুধ খায়। কিন্তু আমার বোন ৭৮ টা ঘুমের ওষুধ খেয়েছিল। যার প্রমান আমাদের কাছে রয়েছে।
গায়িকার দিদির দাবি, আমরা যারা কাছের মানুষ দেড় বছরে ওর সাথে কি ঘটেছে সবটার প্রমান আমরা সামনে আনব। এমনকি মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করত ওর শ্বশুর বাড়ির লোক সেটার প্রমানও আমরা দিতে পারি। ৬ মাস আগেই আমার বোন কে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ওর শ্বশুরমশাই। আমি গিয়ে অকে বাড়ি নিয়ে আসি।
আমরা অকে বলেছিলাম সবাইকে সবটা বল নাহলে পড়ে সবাই তোকেই দোষ দেবে। কিন্তু ও শোনেনি। সমাজ মাধ্যমে নিজের সুখী জীবনের নাটকটা চালিয়ে যাচ্ছিল। আত্মহত্যা করার ১০ মিনিট আগেও নাকি প্রবাহ অকে বলেছে “মা তো সবজায়গায় তোমার সঙ্গে যাচ্ছে,এই জন্মে পিছন ছাড়বে না, তাহলে আমি থেকে কি করব?”
অনেকেই আবার বলেছেন দেবলীনা নাকি বরের থেকে ভরনপোষণ বাবদ টাকা নেওয়ার জন্যই এমন কাজ করেছেন। তার স্পষ্ট উত্তরও দেন শমিষ্ঠা। তার কথায় আমার বোনের ভরনপোষণ বাবদ টাকা নেওয়ার দরকার পড়ে না বরং আমার বোন ই উলটে প্রবাহর যাবতীয় খরচ চালাত।
শ্বশুরবাড়ি থেকে নাকি দেবলীনা ও প্রবাহর রেজিস্ট্রি করাতে চাননি এমনটাই জানান দিদি। প্রবাহ পাইলট হতে পারে কিন্তু সংসারে একটাকাও দিত না। এরপরেও বোনের পরিবার আর বাচ্চার স্বপ্ন ছিল। কখনই সংসার ভেঙে চলে আস্তে চায় নি। এমনকি হানিমুনে গিয়েও দেবলীনা কে মারধর করেছে প্রবাহ।

