
গত ৮ ই মার্চ সোশ্যাল মিডিয়ার তরফ থেকে আচমকাই জানা যায় জি বাংলার ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর ছোট্ট শিল্পী রোদ্দুর অসুস্থ। ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। মাত্র পাঁচ বছরের এই ছোট্ট ছেলেটি এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। বর্তমানে সে আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন। তাঁর ফুসফুস কাজ করা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁকে সুস্থ করে তুলতে প্রয়োজন দীর্ঘকালীন অস্ত্রোপচার।
রোদ্দুরের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ১৫ লাখ। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই চিকিৎসার আকাশছোঁয়া খরচ বহন করা অসম্ভব তাই বাধ্য হয়েই পরিবারের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নেন। এক সাক্ষাৎকারে রোদ্দুরের মা জানান, রোদ্দুরের বাবা তন্ময় চট্টোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। মাস গেলে মাত্র ১৬ হাজার টাকা রোজগার তন্ময় বাবুর। ‘আমারা বাড়িও বিক্রি করে দিতে রাজি। কিন্তু তাতেও ওর চিকিৎসার খরচ জোগাড় হবে না। আমরা ছেলেটাকে বাঁচাতে তাই সাহায্য চাইছি।’
খবর পেয়েই ছুটে গিয়েছিলেন অঙ্কুশ হাজরা। হাসপাতালে দেখাও করে আসেন তিনি। এবার ছোট রোদ্দুরের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা জিতু কমল। যদিও এই প্রথম নয়, আড়ালেই মানুষের পাশে দাঁড়ান জিতু। এনজিওদের বাচ্চাদেরও পাশে থাকেন। যদিও প্রচারের আলোয় আসতে পছন্দ কখনোই করেন না অভিনেতা।
আজ সকাল সকাল হাসপাতালে রোদ্দুরের সাথে দেখা করতে ছুটে যান অভিনেতা। এক আত্মদীপ ভট্টাচার্য নামক এক ফেসবুক প্রোফাইল থেকে হাসপাতালের সেই ছবি সামনে আনা হয়। প্রোফাইল থেকে রোদ্দুরের সাথে জিতু কমলের কিছু ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “ছেলেটার নামেই রোদ্দুর, এক বিস্তীর্ণ উজ্জ্বল রোদ ঝলমলে দিনের মতো হয়ে উঠতেই পারে ওর জীবন…. প্রত্যুত্তরে একটু পাশে থাকার অঙ্গীকার চাইছি কেবল ।। এক কঠিন ব্যাধির সঙ্গে যুঝছে ছেলেটা; আজ সকালে যখন (Jeetu) দাদার সঙ্গে ওকে দেখতে গেলাম, কেবল বলে গেল, “মা, আমি বাড়ি যাবো…” ওকে বাড়ি ফেরাতেই হবে, সুস্থ্য হয়ে রদ্দুরময় একটা জীবন দিতেই হবে…. হবেই ।। জিতু কমল ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা আরও যারা পাশে দাঁড়াচ্ছেন সকলকে আমার অভিবাদন ।।বাকি সমস্ত ডিটেল নিচের ছবিতে রয়েছে, সাহায্যের হাত বাড়াবেন কামনা করি ।।” সেই পোস্টটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করে নেন অভিনেতা।
