
রবিবার তালসারিতে শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। স্টার জলসার ‘ভোলে বাবা পার কারেগা’ শুটিং করতে গিয়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সাঁতার জানা সত্ত্বেও কীভাবে রাহুলের মৃত্যু হল? তা এখনো ধোঁয়াশা। তালসারির মাঝ সমুদ্রে কেন অনুমতি নেওয়া হয়নি? কেন ছিল না ডুবুরির ব্যবস্থা? রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু রহস্য ঘিরে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন।
গোটা টলিউড থেকে ফেডারেশন আঙুল তুলেছে প্রযোজনা সংস্থার উপর। লেখিকা লীনা গাঙ্গুলিকে দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিতর্কের জেরে মহিলা কমিশনারের আসন পদত্যাগ করেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়।
এদিকে রাহুলের মৃত্যুতে তার সহ-কর্মীরা কেন চুপ? সরব নেটপাড়া। দুর্ঘটনা ঘটার দিন রাহুলের সাথে জলেই ছিলেন সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র। তিনিও সমুদ্রে পড়ে যান। তাকে বাঁচানো গেলেও বাঁচানো যায়নি রাহুলকে। অভিনেতার পুরো ঘটনায় সাক্ষী ছিল শ্বেতা। জানা যায়, এই ঘটনার পর থেকে ট্রমাটাইজড ‘ভোলে বাবা পার কারে গা’র নায়িকা। কিছু বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই তিনি এমনটাই জানানো হয়েছে পরিবারের তরফ থেকে।
এবার আচমকাই তার পোস্ট ঘিরে জল্পনা। নিজের ফেসবুকে রাহুলের সাথে একটু ছবি শেয়ার করে শ্বেতা লেখেন, ‘ভালো থেকো…..’। যদিও এর চেয়ে বেশি একটি শব্দও তিনি খরচ করেননি। আর তার পোস্টের পরেই কমেন্টের বন্যা।
সকলেই শ্বেতাকে জানিয়েছেন সত্যিটা বলার জন্য। কেউ লিখেছেন, “সত্যিটা এবার সামনে আসা দরকার…দয়া করে এবার সত্যিটা বলো।” আবার কেউ লিখেছেন, “প্লিজ সত্যিটা বোলো। মরে রেখো ক্যারিয়ার থেকে অনেক বড় নিজের কাছে সৎ থাকা। তুমি একমাত্র যে সবটা জানো।”
এক নেটিজেন লিখেছেন, “প্লিজ কারোর ভয়ে কিছু লুকোবেন না। সত্যি সামনে এলে অনেকের প্রাণ বাঁচবে আগামীতে। অনুরোধ রইল।’ যদিও এসবের কমেন্টে উত্তরে নীরব শ্বেতা।
