“আমাদের পরিশ্রম সার্থক…ধন্যবাদ কেশব”, মধুবনীর ছেলের কাজে মুগ্ধ বুম্বাদা! কি করল ছোট্ট কেশব?

 

কেশব

নেটিজেনদের নজর স্টারকিডদের উপর সবসময়ই থাকে। তাদের মধ্যেই একজন হল রাজা গোস্বামী ও মধুবনী গোস্বামীর একমাত্র ছেলে কেশব। মায়ের ব্লগে প্রায়শই তার ছোট ছোট মুহুর্ত গুলো উঠে আসে সমাজ মাধ্যমের পাতায়। ছোট্ট কেশবকে দেখার জন্য খুদের অনুরাগীরাও অধীর আগ্রহে থাকেন।

এবার নতুন মেজাজে ধরা দিল ছোট্ট কেশব। অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে অনুকরন করল কেশব। যা দেখে ছোট্ট কেশবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রসেনজিৎ নিজেই। সম্প্রতি মা মধুবনী পুরো ঘটনাটা খোলসা করলেন। ফেসবুক পোস্টে মধুবনী লেখেন,

‘কয়েকদিন আগে, রাজা আর আমি কেশবকে একটা সিনেমা দেখাতে নিয়ে যাই… সিনেমাটি হলো, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত কাকাবাবু- বিজয়নগরের হীরে… সিনেমাটি দেখার পর থেকে, কেশব কাকাবাবুর একেবারে পাগল ফ্যান হয়ে গেছে…কথা নেই বার্তা নেই, কেশব কাকাবাবু সেজে, চশমা টশমা পরে, একটা ছাতাকে ক্রাচের মতো করে বানিয়ে, পা টেনে টেনে সারা বাড়িময় হেঁটে বেড়াচ্ছে… এখানেই শেষ নয়… দ্বিতীয় ছবিটিতে দেখো, কাকাবাবুর ওয়ান এন্ড অনলি বিশ্বস্ত অ্যাসিস্ট্যান্টকে দেখতে পাবে, সন্তু ভাইপোকে!

আজ্ঞে হ্যাঁ, আমিই হয়েছি কাকাবাবুর ভাইপো সন্তু! আমাকে আগে গিয়ে সব দুষ্কৃতীদের মেরে ধরাশাই করে ফেলতে হবে, তারপর উনি পা টেনে টেনে এসে আসল রহস্য ভেদ করবেন… এখন সব সময়ই কেশব, থুড়ি কাকাবাবু রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন! আমায় খালি বলছে, বাড়ির টুনি বাল্বগুলোর আলো এতো কমে এসেছে কেন? এর মধ্যে নিশ্চয়ই কোনও রহস্য লুকিয়ে আছে! মনে হচ্ছে, এবার বাংলা পড়তে শিখলে, কাকাবাবু সমগ্র দিয়েই শুরু হবে বাংলা বই পড়ার যাত্রা…’

মধুবনীর এই পোস্টে ভালবাসা জানিয়ে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় লেখেন, ‘Thank you কেশব! কাকাবাবু শুধু একটা চরিত্র নয়—সে যদি কাউকে এমন করে কৌতূহলী করে তোলে, প্রশ্ন করতে শেখায়, বইয়ের দিকে টেনে আনে—তাহলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক। কেশবের এই ভালোবাসা আর অনুসন্ধানী মনটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। অনেক ভালোবাসা রইল তোমাদের সবার জন্য।’