বরাবরই বেছে কাজ করেন। তাই হয়ত কেরিয়ারের ১৩ বছরের মাথায় এসে প্রথম বড়পর্দায় অভিনয় করেন বাসবদত্তা। তবে বাংলা টেলিভিশনের দর্শকদের কাছে বাসবদত্তা চ্যাটার্জি মানেই ‘গানের ওপারে’-র দামিনী। এই চরিত্রই তাকে অমর করে রেখেছে দর্শকের মনে।
পর্দার বাইরে বাস্তবে বাসবদত্তা কিন্তু বরাবরই ঠোঁটকাটা, যাকে বলে স্পষ্টভাষী। ইন্ডাস্ট্রিতে নিন্দকরা বলেন বাসবদত্তা নাকি একটু নাক উঁচু স্বভাবের। তার এই স্বভাবের জন্যই হাতছাড়া হয়েছে বহু কাজ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের লড়াই, মূল্যবোধ আর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।
বাসবদত্তা জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে বাকি সকলের থেকে একটু হলেও তিনি আলাদা। হুট করে সম্পর্ক তৈরি করা, অযথা পিআর করা—এসব অভিনেত্রীর স্বভাবে নেই। কাজ চাইতে কারও দরজায় কড়া নাড়াও তার ধাতে নেই।
এমনকি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য পছন্দ না হওয়ায় বহু কাজ ছেড়েছেন। তবুও কোনও আক্ষেপ নেই। কারণ বাসবদত্তার কাছে সবচেয়ে জরুরি নিজের সম্মান আর স্বাচ্ছন্দ্য। গ্ল্যামারের জগতেও মাথা নত না করে, নিজের নিয়মে বাঁচতেই বেশি ভালবাসেন অভিনেত্রী।
জীবনের অনেক কঠিন সময়ে বাবার পরিবর্তে দাদুই ছিলেন তার ভরসা। আর বাবার মৃত্যুর পর মায়ের পোশাক নিয়ে সমাজের কটূক্তি তাকে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। “মা সাদা শাড়ি পরলেন না বলে যারা কথা বলেছে, তারা আমার চোখে ছোট” অভিনেত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তার মানসিকতা।

