
এই মুহুর্তে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে হট টপিক অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর বাউন্সার নিয়ে বিয়ে! বাউন্সার বিতর্কে একের পর এক ট্রোলের মুখে অনন্যা-সুকান্ত।
আর এই বাউন্সার কালচার নিয়েই কটাক্ষের তীর এলো ঋদ্ধি সেনের তরফ থেকে। ঋদ্ধির ফেসবুক পোস্টটি এখন রীতিমতো ভাইরাল। সত্যিই কি নিজেদের ‘গুরুত্ব’ বাড়াতে বাউন্সার ভাড়া করে নিয়ে আসছেন তারকারা? এই নিয়ে সমালোচনা নেটপাড়াতেও।
ঋদ্ধি লিখেছেন, ‘বাংলার পরিচিত প্রবাদ হলো ‘কথা কম কাজ বেশি’। তবে বাংলায় যেটা হয় সেটা হলো ‘কথা বেশি কাজ কম’। কিন্তু বাংলার তারকাদের জন্য এই উক্তির একটা নতুন ভার্সন আছে, সেটা হল, ‘কাজ কম বাউন্সার বেশি’।
‘কথা’ শব্দটা বাংলার টুইংকেল টুইংকেল লিটল স্টারদের ক্ষেত্রে বাদই দিলাম, কারণ কথার বদলে বেশিরভাগেরই মুখগহ্বর থেকে বেরিয়ে আসে শুধুই কুইন্টাল কুইন্টাল শব্দ, শব্দগুলো বাক্যে পরিণত হয় সরকার বুঝে, অর্থ বুঝে, তবে এ অর্থ সে অর্থ নয়, আমাদের স্টারডাস্ট অথবা ষ্টার পাউডাররা সারা বছর অর্থহীন কাজ করলেও তাদের কাছে অর্থ কদাপি অনর্থম নয়। কারণ অর্থের জোরে ভাবনার বিকাশ নিম্নগামী হলেও ভাঁওতাবাজির প্রকাশ ঊর্ধ্বগামী। তাই ফাঁকা রাস্তায় হোক, ফ্লপ হওয়ার সাকসেস পার্টিতে বা বিয়েতে, অপরিচিত মুখের পাশে অসহায় পাঁচটা বাউন্সার কিন্তু মাস্ট’।
একটু বেশিই ঠোঁটকাটা ঋদ্ধি, টলিপাড়ায় কান পাতলে এমনটাই খবরে আসে। বাউন্সার-কটাক্ষকারী পোস্টে ঋদ্ধি আরও লিখেছেন, ‘বাংলা ছবির পাশে না দাঁড়ালেও বাউন্সার পরিবেষ্টিত হাবভাব দেখে অন্তত সেলফি ছবির জন্য যদি পাশে কেউ দাঁড়ায়। আর কিছুদিন পরে দেখা যাবে যে ভালোবাসার বন্ধনে সাত পাকে এক সাথে ঘুরছে -স্বামী, স্ত্রী ও বাউন্সার’।
ঋদ্ধির এই পোস্টে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘শপিং মলে গিয়ে যদি কখনো টিভি সিরিয়ালের অচেনা বা অল্প চেনা অভিনেত্রীদের দেখো ( বাউন্সার সহ), যারা কখনও কোনও সিরিয়ালের একটা বা দুটো সিনে অভিনয় করেছে, তাদের হাবভাব লক্ষ্য করার মতো । তাদের চোখ চারিদিকে ঘুরতে থাকে, কে কে তাকে দেখে চিনতে পারল! আমি দূরে দাঁড়িয়ে তাদের অস্তিত্বের এই অসহায়তা দেখি!’
