
টলিউডে রাহুলের মৃত্যুর মত মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে বিচলিত তারকামহল। মৃত্যূর চারদিন পরেও রাহুলের চলে যাওয়াটা এখনো মেনে নিতে পারছে না গৌরব চক্রবর্তী ও ঋদ্ধিমা চক্রবর্তী। পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও তাঁদের মধ্যে ছিল আপন দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। রাহুলের শেষযাত্রাতেও প্রিয় বন্ধুকে হারানোর যন্ত্রণা স্পষ্ট হয়ে ওঠে তাদের চোখে। এই শোকের মাঝেই বড় দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত নিলেন গৌরব- ঋদ্ধিমা।
গৌরব- ঋদ্ধিমার ব্যক্তিগত সমস্যাতেও সবসময় তারা পাশে পেয়েছেন দাদা রাহুলকে। বিভিন্ন সময় গৌরবকে লেখালিখির জন্য উৎসাহ দিয়েছিলান রাহুল। সেই সমস্ত স্মৃতি মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছেন গৌরবকে।
সম্প্রতি নিজের পোস্টে গৌরব লিখেছেন, “ধীর তার জ্যাঠাকে মনে না রাখতে পারলেও চিনবে ঠিকই। ঋদ্ধিমা আর আমি তার দ্বায়িত্ব নিলাম। তুমি যেখানেই থাকো, ভালো থেকো। আর কিচ্ছু চাইনা।”
গৌরব এবং স্ত্রী ঋদ্ধিমা তাঁদের সন্তান ধীরকে জ্যাঠার সঙ্গে অর্থাৎ রাহুলের সঙ্গে পরিচয় করানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। মানুষ চলে গেলেও রয়ে যায় কাজ। সেই কাজের মধ্য দিয়েই মানুষটিকে আগামী প্রজন্মের কাছে চেনানোর গুরুদায়িত্ব নিলেন গৌরব-ঋদ্ধিমা। ধীর চিনবে অভিনেতা রাহুল ব্যানার্জিকে। ধীর চিনবে তাঁর জ্যাঠাকে৷ ধীর চিনবে তাঁর বাবার দাদাকে, তাঁর বাবার আপনার জনকে৷
শুধু তাই নয়, রাহুলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে সেসবও যে ভাল লাগছে না তাও জানিয়েছেন গৌরব।
“তোমার এই চলে যাওয়া মেনে নিতে বড়ই কষ্ট হচ্ছে রাহুলদা। শেষ মুহূর্তগুলো কতটা কষ্টে কেটেছে সেটা ভেবে ছটফট করছি। প্রতিদিন। এটা ঠিক হলো না। এভাবে সবকিছু শেষ হওয়ার কথা ছিলো না। তার মধ্যে এতো ধোঁয়াশা, এতো মিথ্যে, এতো গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা, এতো দায়িত্বহীনের মতো বিবৃতি, আর ভালো লাগছে না।”
গৌরব আরও লেখেন, “কে আমায় লিখতে জোর করবে? কে আমায় কারণ অকারণে বকবে? কে বলবে তুই আমার বোনের সামনে রাগ দেখালে আমার থেকে খারাপ কেউ হবেনা? কে আমাদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে suitcase হারিয়ে ফেলবে? কে phone করে বলবে “কোন গাড়িটা কেনা যায় বলতো?”
