পরপর দু’বার ভাঙে সংসার! “সম্পর্ক গুলো টিকিয়ে রাখতে… জীবনের ৬টা বছর নষ্ট, তাই ঠিক করেছি…”, প্রাক্তন স্ত্রীদের থেকে চরম প্রতারণার পর জীবনে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন ভাস্বর

ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়

বাংলা বিনোদন জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়। যাকে পর্দায় আমরা সব সময় হাসিখুশি প্রাণোচ্ছল দেখি কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে ঠিক ততটাই আঘাত দিয়েছে তার কাছের মানুষ। বারবার ঠকতে হয়েছে অভিনেতাকে।

সংসার জীবন মোটেই সুখের নয় অভিনেতার। পরপর দুবার সংসার ভাঙ্গে ভাস্বরের। ভাস্বর জানিয়েছিলেন তার প্রথম স্ত্রীর জন্য তাকে জে’লে পর্যন্ত যেতে হয়েছিল। প্রথম বিয়ে ২০০৬ সালে, টালিগঞ্জের বাসিন্দা প্লাবনী মুখোপাধ্যায় কে সম্বন্ধ করেই বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন মাসের মাথায় অভিনেতা জানতে পারেন তিনি বাবা হতে চলেছেন। সেই সময় ছবির শুটিংয়ে লন্ডনে ছিলেন।

বাড়ি ফিরেই ভাস্বর জানতে পারেন তাঁর স্ত্রী গর্ভপাত করিয়েছেন। বাপের বাড়ি চলে গিয়ে বধূ নি’র্যাতনের মামলা দায়ের করেন অভিনেতার স্ত্রী। প্রায় দু’দিন জে’ল খাটতে হয় তাঁকে। যদিও পরে কেসটা তিনি জিতেছিলেন। কিন্তু মান সম্মান যা যাবার সেটা চলে গিয়েছিল।

এই ঘটনার ৭ বছর পর উত্তমকুমারের নাতনি নবমিতা চট্টোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন অভিনেতা। বিশাখাপত্তনমে মধুচন্দ্রিমায় অভিনেতাকে নবমিতা জানান, তিনি অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে আছেন। শুধুমাত্র বাড়ির চাপেই ভাস্বরকে বিয়ে করেছেন। যার ফলে দ্বিতীয় বিয়েও ভেঙে যায় তার। তারপর থেকে বিয়ের প্রতি বিশ্বাস উঠে গেছে তার। এখন একাই থাকেন, অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছেন এই সম্পর্কগুলো টিকিয়ে রাখতে গিয়ে নিজের জীবনের অনেকগুলো বছর তিনি নষ্ট করেছেন। বর্তমানে তাই সেই সবকিছু করছেন যা তিনি এতদিন করতে পারেননি। কাজের মধ্যে ব্যস্ত রেখেছেন নিজেকে, বই লিখছেন, ঘুরতে যাচ্ছেন। বিচ্ছেদ বা ব্যক্তিগত তিক্ততাকে আঁকড়ে না ধরে তিনি জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে নিয়েছেন।