অভিনয় জীবনে প্রথম পুরস্কার! ‘কত কেঁদেছি, কত হেঁসেছি’…বললেন অভিনেত্রী শৈলী ভট্টাচার্য

অভিনেত্রী শৈলী ভট্টাচার্য

অভিনেত্রী শৈলী ভট্টাচার্য বর্তমানে ছোটপর্দায় জনপ্রিয় মুখ। মাত্র ছয় বছর বয়স থেকে অভিনয় করলেও মূলত নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকের হাত ধরে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন পর্দায়।

নিম ফুলের ধারাবাহিকে বর্ষা চরিত্রে দারুণ খ্যাতি অর্জন করেছেন। এবার সেই চরিত্রের জন্যই অভিনয় জগতে প্রথমবার সেরা ননদের অ্যাওয়ার্ড পেলেন অভিনেত্রী। জি-বাংলার সোনার সংসারে অভিনয় জীবনে এই প্রথমবার পুরস্কার পেলেন শৈলী। স্বাভাবিকভাবেই পুরস্কার নেওয়ার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পরেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতার কথাই শেয়ার করে নিলেন নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে।

পুরস্কার হাতে ছবি দিয়ে ক্যাপশনে বর্ষা থুড়ি শৈলী লেখেন, “সেই ছোট্ট বেলা থেকে অভিনয় করতে ভালো লাগে। শুধু ভালো লাগে না, এটাই করতে চেয়েছি। করতে চাইও। অভিনয়ের প্রথম হাতেখড়ি হয় মায়ের সাংস্কৃতিক স্কুল বিহঙ্গমে। আমার দিদিসোনার হাত ধরে। তখন থেকেই কাজ করা শুরু। সুযোগ যে খুব পাওয়া যায় তা তো নয়, তবে আমি হঠাৎ একদিন সৌভিক দার ফোন পেয়েছিলাম।সবে কলেজ শেষ। তখন ছবির কাজ আর সিরিজ কেমন হয় জানলেও সিরিয়াল কেমন হয় জানতাম না, ওই থেকেই শুরু হয় টিভি জগতের প্রথম কাজ। অদ্ভুত অভিজ্ঞতা। কত শিখেছি, কত কেঁদেছি, কত হেঁসেছি, কত জেনেছি। আর সবেতে আমার পাশে ছিল সৌভিক দা। ও আমায় সিস্টার ডাকে, আমি ডাকি ব্রাদার। যথন হঠাৎ সেদিন এই award টা পাই এতো চমকে গেছিলাম যে বাথরুমে প্র্যাকটিস করা একটা কথাও স্টেজে উঠে বলতে পারিনি। আমার ডিরেক্টর Anup Chakraborty , সৌভিক দা, Srijit Roy এবং গোটা টিম কে দেখেছিলাম আমার জন্যে দাঁড়িয়ে cheer করতে। কী যে আনন্দের অনুভূতি! স্কুলে থাকতে প্রত্যেকবার তাৎক্ষণিক অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পেতাম। তখন খুব আনন্দ হতো কিন্তু প্রথমবার award পেলে কেমন মনে হয় তা জানা ছিল না। সেদিন এমন অবাক হয়ে গেছিলাম যে মা বাবাকেই ধন্যবাদ দেওয়া হয়নি। ওরা আসলেই আমার জীবনের প্রধান চরিত্র, স্তম্ভ। প্রথমে অভিনয়ে মায়ের মত না থাকলেও, ছোটবেলা থেকে বাবা আমায় সব জায়গায় নিয়ে গেছে। বসে থেকেছে। বাবাই শিখেয়েছে কল টাইমের দশ মিনিট আগে গেলেও হবে। পরে যেন না পৌঁছই। অনেক শেখা বাকি, অনেক কাজ বাকি। আশীর্বাদ আর শুভকামনা চেয়ে এখানেই শেষ করছি। সবার সব ভালো হোক।”