বাংলা ইন্ডাস্ট্রির রাজনীতিতে হারিয়ে যায় বহু প্রতিভা। বারবার সেই প্রমাণ মিলেছে। যেমন বাংলা ছবিতে কাজ করতে পারছেন না অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য। ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই লড়েছিলেন অভিনেতা। অভিনেতা এখনো কাজে ফেরেনি কারণ তিনি ক্ষমা চাইতে রাজী নন।
এবার কি বাংলা ইন্ডাস্ট্রি ব্যান করল অভিনেতা ঋদ্ধি সেনকে। খবর ছড়িয়ে পড়েছে টলিপাড়ায়। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতাকে আচমকাই কেন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। শোনা যাচ্ছে, ঝামেলার সূত্রপাত পরিচালক সুমন ঘোষ একটা ছবি নিয়ে। যেখানে অভিনয় করার কথা ছিল ঋদ্ধির। তবে টেকনিশিয়ানরা নাকি অভিনেতার সাথে কাজ করতে নরাজ। আর তার জন্যই নাকি শুটিং বন্ধ । তবে এখনো ফেডারেশনের তরফ থেকে কিছু ঘোষণা হয়নি।
১৬ নভেম্বর ঋদ্ধি ফেসবুকে লিখেছেন, “দারুণ লাগছে, শিল্প, সংস্কৃতি, স্বতন্ত্র
“ভালো, সবটাই যেহেতু জনসমক্ষে ঘটে চলেছে,সব কিছুই সবার মনে থাকবে। খারাপ লাগে,একটা গোটা কর্মক্ষেত্র ভালো কাজের উদাহরণ রাখার বদলে নিজেদের লোভের উদাহরণ রাখাকে প্রাধান্য দিয়ে চলেছে। বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ সিনেমায় না পারলেও শ্রেষ্ঠ বিনোদনটা দিতে পারে নিজেদের স্বার্থপর এবং ভীরু চেহারাটা সকলের সামনে প্রকাশ করে দিয়ে, এটাই ট্রাজেডি, এটাই কমেডি,এভাবে বিনামূল্যে বিনোদন পেলে দর্শক আর প্রেক্ষাগৃহে মূল্য দিয়ে বিনোদন খুঁজতে যাবে না। ওয়েলকাম টু টলিউড, সরি,তৃণউড।”
অভিনেতার এই পোস্টের পর জল আরও ঘোলা হয়। এমনকি শোনা যাচ্ছে, ঋদ্ধিকে নাকি ফেডারেশনের তরফে ক্ষমা চেয়ে একটা চিঠি দিতে বলা বলা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে TV9 বাংলাকে ঋদ্ধি জানালেন, ”আমি ক্ষমা চাওয়ার মতো কোনও কাজ করেছি বলে মনে করি না। আমি আমার মত প্রকাশ করেছি ফেসবুকে। সেটা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। তাই ক্ষমা চাওয়ার কথা ভাবছি না। তাতে বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে পারলে করব, না করতে পারলে করব না।”
সূত্রঃ tv9bangla . com/entertainment/is-riddhi-sen-unable-to-work-in-bengali-films-1275555.html

