দুঃসংবাদ! লড়াই করেও শেষ রক্ষা হল না, চলে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা, শোকস্তব্ধ অভিনয় জগত

অমল চৌধুরী

নব্বইয়ের দশকে দূরদর্শনে মহালয়ার ভোরে টিভির পর্দা গমগম করত তার অট্টহাসি আর বলিষ্ঠ চেহারায়। সেই দাপুটে ‘অসুর’ হিসেবে অমর হয়ে থাকা প্রবীণ অভিনেতা আজ চির নিদ্রায়।

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের সঙ্গে অভিনেতার চোখের চাউনি আর পেশীবহুল চেহারা, দুর্দান্ত অভিনয় অগণিত মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন।

অশোকনগরের সিংহি পার্ক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন অভিনেতা। জীবনপথে একে একে বাবা-মা, দাদা-দিদিদের হারিয়ে শেষ কয়েক বছর একাই থাকতেন। বিয়ে করেননি। খেতে পেতেন না ঠিক করে। অভাব-অনটন যেন জাঁকিয়ে বসেছিল তার জীবনে। অসুস্থতাও ছিল নিত্য়সঙ্গী। শেষ কয়েক বছর কাজ পাওয়ার আশায় ছিলেন শুধু।

প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা অমল চৌধুরী। বুধবার সকাল থেকেই হাঁকডাক করেও অভিনেতার সাড়াশব্দ পাননি প্রতিবেশিরা। পুলিশে খবর দিতেই অভিনেতার টিনের চালের ঘরের তালা ভেঙে উদ্ধার করা হয় অমলবাবুর নিথর দেহ।

অমল চৌধুরী

বেশ কয়েকটি ছবিতেও কাজ করেছিলেন অমল বাবু। একসময় স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু মহালয়ার প্রতি টান থেকেই লাইট-ক্য়ামেরা-অ্যাকশনের জগতকে ভালোবেসে ফেলেন।

শুধু অভিনয় নয়, আঁকতে ভালোবাসতেন তিনি। হাজার হাজার বাচ্চাকে আঁকা শিখিয়েছেন। মাস কয়েক আগে একটা অ্য়াক্সিডেন্টে পায়ে চিড় ধরেছিল। গত দুর্গাপুজোর আগে সংবাদমাধ্য়মের সামনে কাতর আবেদন করেছিলেন, ‘দিদি যদি একটু সাহায্য করেন।’ চিকিৎসার জন্য় দরকার ছিল সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। তার আগেই না-ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন অমল চৌধুরী।

অমল চৌধুরী

Previous articleশীতের সকাল রচনা ছাত্রছাত্রীদের জন্য সহজ ভাষায়
Sudeshna Jana
হাই, আমি সুদেষ্ণা জানা। আমার প্যাশন লেখালেখি করা। আমি একজন লেখিকা। মানুষকে এন্টারটেইনমেন্ট করতে পছন্দ করি। তাই বিনোদন সংক্রান্ত বিষয় লেখালেখি করতে বেশি পছন্দ। দর্শকদের এন্টারটেইনমেন্ট দেওয়ার জন্য বিশ্বের সমস্ত ধরণের বিনোদন নিউজ তাদের কাছে এগিয়ে দেওয়াই আমার কাজ। বিভিন্ন ধরণের বিনোদন পেতে আমাদের এই পেজে অনুসরণ করুন।