৩১ জুলাই অবধি সময় বাড়লো আয়কর রিটার্নের

income tax return

income tax return

করোনা ভাইরাসের জেরে দেশের অর্থনীতিতে যে বিরুপ প্রভাব পড়বে সেকথা আগেই জানা ছিল । এবার হাতানাতে প্রকাশ পেল সেই রিপোর্ট ।

২০২০-২১ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের জিএসটির হিসেব প্রকাশ্যে আসতেই দেশের আর্থিক কর্মকাণ্ডের উপর লকডাউনের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হল ।

কেন্দ্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এপ্রিল থেকে জুনে জিএসটি সংগ্রহ কমেছে এক বছর আগের তুলনায় ৫৯% । তবে জুনে ৯০,৯১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ হওয়াকেই অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ হিসেবে দেখতে চাইছে কেন্দ্র ।

আরও পড়ুন : প্রেফারেন্স শেয়ার এর সসংজ্ঞা, বৈশিষ্ট, সুবিধা, অসুবিধা

যদিও অর্থের পরিমাণ আগের বছরের জুনের তুলনায় ৯% কম । এপ্রিল এবং মে মাসে ৩২,২৯৪ কোটি এবং ৬২,০০৯ কোটি আদায় হয় । জুনে পশ্চিমবঙ্গের জিএসটি সংগ্রহও ১১% কমেছে।

অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে, আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ কমার মূলত দু’টি কারণ রয়েছে । অতিমারির হানা ও কর জমা ও রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ছাড় ।

তবে গত তিন মাস ধারাবাহিক ভাবে সংগ্রহ বাড়ায় কেন্দ্র আশাবাদী । এই প্রেক্ষিতেই বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর ফলে ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিলের রিটার্নের একাংশও জমা পড়েছে জুনে ।

আরও পড়ুন : প্রেফারেন্স শেয়ার এর সসংজ্ঞা, বৈশিষ্ট, সুবিধা, অসুবিধা

জমা পড়েছে মে-র বহু রিটার্ন । ফলে কর সংগ্রহের ক্ষেত্রে আদৌ কতটা এগোনো গিয়েছে তা মোটেই স্পষ্ট নয়।

করোনা পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে যেহেতু রিটার্ন দাখিলের মেয়াদ আগেই বাড়ানো হয়েছিল । এ বার মেয়াদ বাড়ানো হল করসঞ্চয়ী প্রকল্পে বিনিয়োগেরও ।

২০১৯-২০ অর্থ বছরের আয়কর রিটার্নের জন্য জীবন বিমা, স্বাস্থ্য বিমার মতো ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মেয়াদ বাড়ানো হল এ বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত । বৃহস্পতিবার আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে টুইট করে এ কথা জানিয়েছে ।

আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় জীবন বিমা, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ, ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট বা এনএসসি, ইকুইটি লিঙ্কড সেভিংস স্কিম বা ইএলএসস-এর ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যায় ।

আরও পড়ুন :বন্ড কাকে বলে এবং এটি কীভাবে কাজ করে

এ ছাড়া ৮০ডি ধারায় মেডিক্যাল ইনসিওরেন্স বা মেডিক্লেম এবং ৮০জি ধারায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডোনেশনের উপরেও ছাড় মেলে । নির্দিষ্ট বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই খাতে টাকা দেওয়া হলে, তা আয়করের বাইরে থাকে ।

কিন্তু চলতি বছর করোনাভাইরাসের প্রকোপ এবং লকডাউনের জেরে আর্থিক কারণে অনেকেই ৩১ মার্চের মধ্যে দিতে পারেননি । সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হল ।

ফলে যাঁরা ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেও এই ক্ষেত্রের প্রিমিয়াম দেবেন বা বিনিয়োগ করবেন, তাঁরা আয়করে ছাড় পাবেন । কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তে করদাতাদের ঘাড় থেকে বোঝা খানিকটা সুরাহা হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতির বিশেষকজ্ঞরা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here